শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (১৮ জুলাই, ২০২৫): রাসূলের (সাঃ)'র 'অপরিচিত' সাহাবীরা (রাঃ)

শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (১৮ জুলাই, ২০২৫):  রাসূলের (সাঃ)'র 'অপরিচিত' সাহাবীরা (রাঃ)   
ইমামের নাম জানি না  । মুসলিম সেন্টার অফ গ্রেটার প্রিন্সটন । ওয়েস্ট উইন্ডসর, নিউ জার্সি


[ডিসক্লাইমার/ভূমিকা: দুই সপ্তাহের আগের জুমুআর খুতবার সারমর্ম লিখছি। খুব একটা যে মনে আছে তাও না। এখন ইন্টারনেট ঘেঁটে লিখছি। ইমাম খুব সম্ভবত সিরিয়ান হবেন, নাম জানি না। খুতবার মূল বিষয় ছিল, রাসূল (সাঃ) সামাজিক ভাবে দুঃস্থ, গরিব, বাহ্যিক গঠন, আকার, চেহারা বা গায়ের রং'র কিংবা আপাতঃ বংশ-পরিচয় কম এমন সাহাবী বা মানুষদের সাথে কি রকম আচরণ করতেন আর তা থেকে আমাদের শিক্ষণীয়, করণীয় কী সেইটা নিয়ে আলোচনা। ইমাম হাদিস, এমন কি কুরআনের আয়াত উদ্ধৃতি করে আলোচনা করলেন। খুবই সাবলীল আর হৃদয়স্পর্শী আলোচনা, আমি কোনোভাবেই সেটা লেখায় তুলে আনতে পারবো না, তাও লেখার চেষ্টা করছি।]

ইমাম বললেন, রাসূল (সাঃ)'র সাহাবীদের কথা উঠলেই আমাদের মনে আসে আবু বকর (রাঃ) , উমর (রাঃ), উসমান (রাঃ), আলী (রাঃ)'র নাম, তাঁদের কাহিনী। কিন্তু এর বাইরেও অনেক সাহাবী আছেন, যাঁরা আপন-আলোয় আলোচনার দাবিদার। আজকে তিনি এমন কয়েকজন সাহাবীর সম্পর্কে আলোচনা করবেন, যাঁদের নাম হয়তো আমরা জানি, কিন্তু অনেক কাহিনীই জানি না। এঁরা কেউ মুক্ত দাস, কেউবা গরিব, কেউবা অন্ধ, কেউবা খর্বাকৃতির কিংবা দেখতে অন্যদের তুলনায় অতটা ভালো না, যাঁদের অনেকের বংশ পরিচয়ই ঠিক ছিল না। কিন্তু আল্লাহ তা'য়ালা আর তাঁর রাসূল (সাঃ)-এর কাছে এঁদের মর্যাদা ছিল অনেক উপরে। 

রাসূল (সাঃ)'র সাহাবীদের মধ্যে যেমন উচ্চবংশের সাহাবী ছিলেন, তেমনি ছিলেন এই নিগৃহীত সাহাবীগণ (রাঃ)। রাসূল (সাঃ) এঁদের সবাইকে নিয়ে চলতেন, আর এটা কুরাইশী গোত্র প্রধানদের পছন্দ হতো না। আল ওয়ালিদ-বিন-আল-মুগীরা নামের এক গোত্র প্রধান তো রাসূল (সাঃ) কে একদিন বলেই বসলো যে আমরা আপনার কথা শুনবো কিন্তু এইসব লোকজনের সামনে না!  তখন রাসূল (সাঃ)'র সাথে ছিলেন:  বিলাল (রাঃ), আম্মার (রাঃ), শুয়াইব (রাঃ), আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)'র মতো গরিব, সামাজিক স্টাটাসহীন সাহাবী সহ আরো কয়েকজন সাহাবী। রাসূল (সাঃ) এখন কী করবেন? গোত্রপ্রধানদের ইসলামের দাওয়াত দেয়া যে জরুরি, আর তখনকার সময়ে কোনো গোত্রপ্রধান ইসলাম গ্রহণ করা মানে তার গোত্রের অন্যদেরও ইসলাম গ্রহণের সমূহ সম্ভাবনা! আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনের আয়াত নাজিল করে বিষয়টা ফয়সালা করে দিলেন: [সূরা আল-আন'আম, সূরা নম্বর ৬, আয়াত ৫২], যার অর্থ অনেকটা এইরকম: "যারা তাদের প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সকাল-সন্ধ্যায় তাঁকে ডাকে তাদেরকে (অর্থাৎ আপনার  নিকট সমাগত গরীব মু’মিনদেরকে) আপনি দূরে সরিয়ে দিবেন না। তাদের কোন ‘আমালের জন্য আপনাকে কোন জবাবদিহি করতে হবে না, আর আপনার কোন ‘আমালের জন্যও তাদেরকে কোন জবাবদিহি করতে হবে না, কাজেই যদি আপনি তাদেরকে [অর্থাৎ গরীব মু’মিনদেরকে] দূরে সরিয়ে দেন, তবে আপনি যালিমদের মধ্যে গণ্য হবেন।

একই রকম আয়াত আল্লাহ নাজিল করেন [সূরা আল-কাহাফ, সূরা নম্বর ২৮, আয়াত ২৮-এর অংশ বিশেষ], যার অর্থ অনেকটা এইরকম: "আপনি দৃঢ় চিত্তে তাদের সাথে অবস্থান করুন যারা সকাল-সন্ধ্যা তাদের প্রতিপালককে আহ্বান করে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের আশায়। পার্থিব জীবনের শোভা আর চাকচিক্যের মোহে আপনি তাদের থেকে আপনার দৃষ্টি সরিয়ে নিবেন না ..."       

এই গরিব সাহাবীদের মধ্যে বিলাল (রাঃ) ছিলেন রাসূল (সাঃ)'র নিয়োগকৃত মুয়াজ্জিন - যেটা অত্যন্ত সম্মানের পদবি। বিলাল (রাঃ) সম্পর্কে সবাই কম-বেশি জানেন, মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে আনা একসময়ের দাস এই বিলাল (রাঃ) ইসলামের প্রথম  মুয়াজ্জিন। এর বাইরেও আরেকজন মুয়াজ্জিন ছিলেন, তাঁর নাম আব্দুল্লাহ ইবনে উম-মাখতুম (রাঃ)। এই সাহাবী অন্ধ ছিলেন এবং অন্য একটা কারণে বিখ্যাত।  হয়তো ধরতে পেরেছেন: রাসূল (সাঃ) কুরাইশ নেতাদের কাছে ইসলাম ব্যাখ্যা করার সময় এই অন্ধ সাহাবীই এসে রাসূল (সাঃ) থামিয়ে দিয়ে ইসলাম শিখতে প্রশ্ন করেছিলেন, আর রাসূল (সাঃ) ক্ষনিকের জন্য বিরক্ত হয়ে চোখ/ভুরু কুঁচকিয়ে ছিলেন, মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। খেয়াল করুন, অন্ধ আব্দুল্লাহ ইবনে-উম-মাখতুম দেখেন নাই যে রাসূল (সাঃ) কি করছিলেন, আর রাসূল (সাঃ)'যে একটু বিরক্ত হয়ে ভুরু কুঁচকিয়ে তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, সেটাও তিনি দেখতে বা বুঝতে পারেন নাই। তাও আল্লাহ তা'য়ালা রাসূল (সাঃ) কে শুধরিয়ে আয়াত নাজিল করলেন [সূরা আবাসা, সূরা নম্বর ৮০, আয়াত ১ - ১০], যার অর্থ অনেকটা এইরকম: "তিনি [নবী] ভ্রু কুঞ্চিত করলেন আর মুখ ফিরিয়ে নিলেন। কারণ তাঁর কাছে অন্ধ লোকটি আসলো। আর [হে নবী] কীসে আপনাকে জানাবে যে - হয়তো সে পরিশুদ্ধ হতো। হয়তো সে উপদেশ গ্রহণ করতো আর তা তার উপকারে আসতো। আর যে পরোয়া করে না [অর্থাৎ কুরাইশ নেতা যাকে আপনি নসিয়ত দিচ্ছিলেন]। আপনি তার প্রতি মনোযোগী হলেন। অথচ সে পরিশুদ্ধ না হলে আপনার কোনো দায় নেই। পক্ষান্তরে যে আপনার কাছে ছুঁটে আসলো। আর সে [আল্লাহকে] ভয়ও করতো। আপনি তার প্রতি অমনোযোগী হলেন।"

এই ঘটনার পর রাসূল (সাঃ) যখনই আব্দুল্লাহ ইবনে উম-মাখতুমকে (রাঃ) দেখতেন, হেসে বলতেন: "মারহাবান বি মান আ'তাবানী ফি হি রাব্বি" যার অর্থ: স্বাগতম হে, যার জন্যে আমার রব আমাকে বকে দিয়েছেন! শুধু তাই না, এই আব্দুল্লাহ ইবনে-উম-মাখতুম (রাঃ) অন্ধ হলেও তাঁকে দ্বিতীয় মুয়াজ্জিন হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন। খেয়াল করতে হবে, তখন তো ঘড়ি ছিল না, চোখে দেখেই নামাজের ওয়াক্ত বোঝা হতো, আর আব্দুল্লাহ ইবনে উম-মাখতুম (রাঃ) অন্ধ হলেও তাঁকে এই সন্মান দিয়েছিলেন রাসূল (সাঃ), আর তাঁকে সময় বলে দেয়ার জন্য অন্য সাহাবী নিযুক্ত করেছিলেন। বলা হয়, রাসূল (সাঃ) কোনো যুদ্ধে গেলে, মদিনার দায়িত্ব বা আমির এই অন্ধ সাহাবীকেই বানিয়ে দিয়ে যেতেন। 

এরপর ইমাম বললেন, আরেক সাহাবীর কাহিনী। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) কে আমরা অনেকেই চিনি হাদিস বর্ণনাকারী হিসাবে। এই সাহাবী খর্বাকৃতির ছিলেন, তাঁর পা দুটো বেশ চিকন ছিল। একবার অন্য সাহাবীদের সামনে, সম্ভবতঃ কোনো গাছে উঠতে গিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের (রাঃ) পায়ের কাপড় সরে যায়, আর তাঁর চিকন পা দেখে অন্য সাহাবীরা হেসে উঠেন। তাঁদের হাসি দেখে কারণ জিজ্ঞেস করে জানতে পেরে রাসূল (সাঃ) সাহাবীদের শুধরে দেন এই বলে যে: "সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার আত্মা, এই পা দুটো শেষ বিচারের দিন উহুদের পাহাড়ের চেয়েও পাল্লায় ভারী হবে"।

ইমাম এরপর আরেক সাহাবীর গল্প বললেন। এই সাহাবীর নাম জাহির আল আরাবী (রাঃ)। মরুর বেদুইন এই সাহাবীও দেখতে ভালো ছিলেন না। সমাজে তাঁর কোনো স্ট্যাটাস ছিল না, যদিও রাসূল (সাঃ) তাঁকে খুব ভালোবাসতেন।  মাঝে মাঝে মদিনার বাজারে এসে ব্যবসা করতেন, কেনা-কাটা করতেন। একদিন রাসূল (সাঃ) নাকি মদিনার বাজারে জাহির (রাঃ) দেখতে পেয়ে, তাঁর অলক্ষে পেছনে থেকে এসে তাঁকে জাপটিয়ে ধরে মজা করে বলতে থাকেন: "কে এই দাস কিনবে? কে এই দাস কিনবে?"। প্রথমে বুঝতে না পেরে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেও একটু পরেই যখন জাহির (রাঃ) রাসূল (সাঃ)'র গলা চিনে ফেলেন, তখন যেন নিজেকে রাসূল (সাঃ)'র বুকে ছেড়ে দেন। আর আক্ষেপ করে বলে উঠেন: ইয়া রাসূল আল্লাহ, আল্লাহর শপথ, [আমি মূল্যহীন] দাস হলেও আমাকে বেঁচতে পারবেন না!  উত্তরে রাসূল (সাঃ) তাঁকে বলেন: কিন্তু আল্লাহর কাছে তুমি মূল্যহীন নও, বরং আল্লাহ তা'য়ালার কাছে তুমি অনেক দামি! 

এরপর ইমাম আরো কয়েকটা কাহিনী বললেও, সবশেষে ইমাম আরেক সাহাবীর কাহিনী বললেন, যেটা মনে আছে। এই সাহাবীর নাম জুলাইবিব (রাঃ)। গরিব জুলাইবিব (রাঃ) সম্ভবত শারীরিক অক্ষমতা বা বিকলাঙ্গতা ছিল। দেখতে মোটেও আকর্ষণীয় ছিলেন না, খর্বাকৃতির ছিলেন। আর সেটা এতটাই প্রচলিত ছিল যে তাঁর (রাঃ) যে নাম, "জুলাইবিব" -- সেটা আরবিতে মানে ছোট মানুষ। এই জুলাইবিব (রাঃ) কে কেউ বিয়ে করবে সেটা কেউ চিন্তাও করে নাই।  রাসূল (সাঃ) নিজে জুলাইবিবের জন্য পাত্রী সন্ধান করতে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের কাছে যান। গিয়ে মেয়ের বাবাকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেন, আরবিতে যেটা হচ্ছে: "জাওউইজুনি ইব তানা কা" - যার দুই রকম অর্থ হয়: "বিয়ে দিন আমার কাছে আপনার মেয়েকে" অথবা: "বিয়ে দিন আমার মাধম্যে আপনার মেয়েকে"। মেয়ের বাবা প্রথম অর্থ মনে করে রাসূল (সাঃ) তাঁদের মেয়েকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন ভেবে খুশি হয়ে উঠলে রাসূল (সাঃ) ভেঙে বলেন, তাঁর জন্য না, বরং তিনি জুলাইবিবের জন্য প্রস্তাব দিচ্ছেন। ইতস্তত বাবা, কীভাবে এই প্রস্তাব মেনে নেন? আবার না'ও বা কিভাবে করবেন? তিনি বললেন মেয়ের মায়ের সাথে আলাপ করে আসছেন, বলে বাসার ভেতরে গেলেন। তার স্ত্রীকে একই কথা বললে, প্রথমে মেয়ের মা খুশি হয়ে যান, কিন্তু পরক্ষনেই যখন শুনেন এটা জুলাইবিবের জন্য বিয়ের প্রস্তাব, তিনি অবিশ্বাসের স্বরে চিৎকার করে উঠেন: "জুলাইবিব!? জুলাইবিব!? - আল্লাহর শপথ, আমরা কোনোভাবেই জুলাইবিবের কাছে আমাদের মেয়েকে বিয়ে দিবো না" -- আর এইসব কথা বাইরে থেকে রাসূল (সাঃ) তখন শুনতে পাচ্ছেন! আরো একজন শুনতে পাচ্ছিলেন, স্বয়ং পাত্রী নিজেই। আল্লাহ'র রহমত এমনই যে, মেয়ে মায়ের এই কথা শুনে নিজেই বলে উঠে: তোমরা কী রাসূল (সাঃ)'র প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছো? আমি এই বিয়েতে রাজি! সমাজের রীতির বিরুদ্ধেই জুলাইবিবের (রাঃ)'র বিয়ে হয়।

কিন্তু তার কিছুদিন পরেই এক যুদ্ধে জুলাইবিব (রাঃ) শহীদ হন। সাহাবীরা যখন মৃতদের খোঁজ করছিলেন, তখন রাসূল (সাঃ) জুলাইবিবের খোঁজ করেন। পরে খুঁজে যখন তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়, দেখা যায় তার আসে পাশে শত্রুদের মৃতদেহও পরে আছে। রাসূল (সাঃ) নাকি বলে উঠেন: "সে সাতজনকে শেষ করেছে, পরে তারা তাঁকে শেষ করেছে। সে আমার হতে, আর আমি তার হতে"  -- এই বলে তিনি নিজে জুলাইবিবের (রাঃ) মৃতদেহ কবরে দাফন করেন। আর "সে আমার হতে, আর আমি তার হতে" -- রাসূলের পক্ষ থেকে এর থেকে বড় প্রশংসা আর কী হতে পারে?!              

আর এভাবেই রাসূল (সাঃ) সমাজের নিগৃহীত, স্ট্যাটাসহীন, গরিব, দুঃখী, শারীরিক অক্ষমতা বা বাহ্যিক প্রতিবন্ধকতা যাই থাকুক, সবাইকে নিয়ে চলতেন, তাঁদের সন্মান রক্ষা/ডিফেন্ড করতেন, আর তাঁর (সাঃ) কাছে সবকিছু ছাড়িয়ে মানুষের আল্লাহর প্রতি তাকওয়া'র গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি ছিল। ইমাম বললেন, আমরাও যেন রাসূল (সাঃ)'র এই সুন্নত মেনে চলি, কারো বাহ্যিক গঠন, চামড়ার রং, অর্থ-বিত্ত কিংবা সমাজের স্ট্যাটাস দেখে কাউকে 'জাজ' না করি।   

[সবশেষ: ড. ওমর সুলাইমানের একটা ইউটুব সিরিজ আছে, "দ্যা ফার্স্টস"  - বাংলায় অর্থ করলে দাঁড়ায়:  প্রথম যাঁরা, যেইখানে তিনি রাসূলের (সাঃ)  এইরককম প্রথম দিককার সাহাবীদের কাহিনী বর্ণনা করেন। আমি দুয়েকটা পর্ব শুনেছি, খুবই ভালো। আমি নিশ্চিত এই খুতবার অনেক সাহাবীর কাহিনীই এই সিরিজে আছে। নিচে লিংক দিয়ে দিলাম, কেউ চাইলে শুনতে/দেখতে পারেন:
https://youtube.com/playlist?list=PLQ02IYL5pmhHFl7j6wPcFTZmlQvRhsejp&si=MhFL8v0PozgBMlTq
]

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পর্ব - ৬ । সিরাহ বছর: ৪ । কুৎসা রটনার কুরআনিক জবাব ও অন্ধ সাহাবীর ঘটনা

শুক্রবারের জুমুআর খুতবার সারমর্ম (১১ নভেম্বর, ২০২২): যে ভালো কাজগুলো ধ্বংসের কারণ