এই শুক্রবারের জুমুআর খুতবার সারমর্ম (৩০ ডিসেম্বর, ২০২২): জিসাস (আঃ), মেরি (আঃ) - ইসলাম কি বলে ?
এই শুক্রবারের জুমুআর খুতবার সারমর্ম (৩০ ডিসেম্বর, ২০২২): জিসাস (আঃ), মেরি (আঃ) - ইসলাম কি বলে? মুসলিম সেন্টার অফ গ্রেটার প্রিন্সটন, নিউ জার্সি।
[সাইড নোট: আজকের ইমাম এই মসজিদের যিনি ইমাম, তাঁর বাবা। উনি নিজেও বোস্টনের একজন ইমাম। গতকালকে এশার নামাজের পর উনার পরিচয় দেয়ার সময় বক্তা বলছিলেন, উনাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নাই, উনার পরিচয় উনি নিজেই, আর পরেরদিনের (অর্থাৎ আজকের) জুমুআর খুতবা উনি দিবেন। তাতে অবশ্য আমার মতো নতুনদের খুব একটা উপকার হয় নাই। তবে আজকে খুতবার পরে উনার সম্পর্কে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখলাম, তাঁর নাম: ড. তালাল ঈদ - মিশরের আল-আজহার বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করা, পরে আমেরিকার হার্ভার্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধর্মতত্ত্বে মাস্টার্স আর পিএইচডি করা। আজকের খুতবাটা বেশ ইন্টারেষ্টিং ছিল। কিন্তু গতকালকে নামাজ শেষে উনি যে 'খাতারা' বা ছোট আলোচনা করেছিলেন সেটাও চমৎকার ছিল। সেটাতে তিনি চারটা জিনিসের উপর সংক্ষেপে আলাপ করেছিলেন, যা কিনা হৃদয়ের "বিষ" হিসাবে গণ্য হয় - যেটা ঈমানের দুর্বলতার নির্দেশক। আমি শুধু সেই চারটা জিনিস এখন উল্লেখ করছি, পরে কোনো এক সময় সম্ভব হলে উনি কি আলাপ করেছিলেন সেটা আরেকটু বিস্তারিত লিখবো: ১) অযথা বা অনর্থক কথা বলা; ২) লাগামছাড়া বা অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি, ৩) অতিরিক্ত খাবার খাওয়া আর ৪) বাজে সঙ্গ। আজকের খুতবার রেকর্ডিং আর তাঁর পরিচিতির লিংক নিচে দিয়ে দিচ্ছি। আরেকটা বইয়ের রেফারেন্স দিচ্ছি। আচ্ছা, আরেকটা বিষয় বলে নেই: বরাবরের মতো আজকের খুতবাও আমার শুনে, বুঝে, পরে ইন্টারনেটে কিছু সোর্স ঘাটাঘাটি করে লেখা - তাতে ভুল হতেই পারে। তাই, নিজে যাচাই করে নিয়ে, সম্ভব হলে শেয়ার করা ভিডিও দেখে, লেখার মূল আলোচনা গ্রহণ করার অনুরোধ থাকলো।]
ইমাম শুরু করলেন বলে যে মাত্রই ২৫ ডিসেম্বর ক্রিষ্টানদের ক্রিস্টমাস গেলো, এখন নতুন বছরের শুরুর আগে হলিডে চলছে, আর তাই তিনি আজকে ঈসা-ইবনে মারিয়াম বা মারিয়াম পুত্র ঈসা (আঃ) - ইংরেজিতে যাকে আমরা জিসাস বলি আর যার মাকে আমরা মেরি বলি - সেই ঈসা (আঃ) আর তাঁর মা, মারিয়াম (আঃ) কে নিয়ে আলাপ করবেন। তাঁদের ব্যাপারে কুরআন কি বলে, ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড বা ইতিহাস কী সেটা নিয়ে আলাপ করবেন; আর ক্রিস্টমাস নিয়েও আলাপ করবেন। [সাইড নোট: এসবের বেশিরভাগই আমরা হয়তো কমবেশি জানি, কিন্তু আমাদের আর ক্রিষ্টানদের মধ্যে মূল তফাৎটা কোথায়, কিভাবেই সেটা হলো, আর কি করে আমরা সেটা আজকের দিনে সামলাতে পারি - সেটা তিনি পরে আলাপ করেছেন। যেটা আমার মতে সবার জানা উচিত]
ইমাম বললেন কুরআনে উল্লেখ আছে [সূরা আলে-ইমরান, সূরা নম্বর ৩, আয়াত ৩৫-৩৬] মারিয়ামের মা (যাঁর নাম কুরআনে সরাসরি উল্লেখ নাই, কিন্তু তিনি ইমরানের স্ত্রী হিসাবে আল্লাহ পরিচয় দিয়েছেন), মারিয়ামকে নিয়ে গর্ভবতী থাকা অবস্থায়, তাঁর ছেলে হবে আশা করে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তাঁর সন্তানকে তিনি তখনকার চার্চ বা সেনেগগের (তাঁরা সবাই তখন মুসা (আঃ) -এর অনুসারী ছিলেন) সেবায় নিয়োজিত করবেন। ইমাম কুরতুবী (রাঃ) -র গবেষণায় এই মারিয়ামের (আঃ) মা'র নাম ছিল হান্না - যাকে অন্য ভাষায় অনেকসময় 'এনন' বা 'হেনা' নামেও ডাকা হয়। ইমাম বললেন ছেলে সন্তান না হয়ে তাঁর মেয়ে হওয়ার পরেও তিনি তাঁর প্রতিজ্ঞা রেখেছিলেন, শয়তানের হাত থেকে মারিয়াম (আঃ) আর বংশধরদের রক্ষা চেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন। আর তাই মারিয়াম (আঃ) এর বেড়ে ওটা ওই চার্চে বা সেনেগগেই হয়েছিল। নবী জাকারিয়া (আঃ) -র তত্ত্বাবধানে মারিয়াম বড়ো হচ্ছিলেন। কিন্তু শুরু থেকেই নবী জাকারিয়া (আঃ) মারিয়ামের সাথে অলৌকিক ঘটনা ঘটতে দেখেন। যেমন জাকারিয়া দেখতে পান মারিয়ামের ঘরে ফলমূল - যেগুলো ওই সিজনের না। কুরআনে উল্লেখ আছে: সূরা আলে-ইমরান [সূরা নম্বর ৩, আয়াত ৩৭] জিজ্ঞেস করায়, মারিয়াম (আঃ) বলেন, একগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে, নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হিসাব ছাড়া দান করেন। ইমাম বললেন, নবী জাকারিয়া (আঃ) নাকি সেটা শুনে বলেন তাহলে তিনিও আল্লাহ'র কাছে চাইবেন। আল্লাহ তাঁর দোয়া পরে কবুল করেছিলেন, জাকারিয়া (আঃ) আর তাঁর স্ত্রী বৃদ্ধ বয়সে ইয়াহিয়া (আঃ) নবীর বাবা-মা হয়েছিলেন।
কুরআনের সূরা মারিয়ামে [সূরা নম্বর ১৯, আয়াত ১৬ - ৩৩] আল্লাহ তা'য়ালা বর্ণনা করেছেন যে তিনি তাঁর 'রুহু' কে — কুরআনের অন্যান্য আয়াতের উদ্ধৃতিতে যেটা স্পষ্ট যে - এটা জিব্রিল (আঃ) ফেরেশতা, মানুষের আকৃতি দিয়ে পাঠিয়ে মারিয়ামকে সংবাদ দেন যে তিনি একজন ছেলের মা হতে চলেছেন। মারিয়াম (আঃ) যখন প্রশ্ন করেন এটা কি করে সম্ভব যখন কোনো মানুষ তাকে স্পর্শ করে নাই এবং তিনি ব্যভিচারী নন? উত্তরে জিব্রিল (আঃ) ফেরেশতা উত্তর দেন: এভাবেই হবে - আপনার রব বলেছেন তা তাঁর জন্য সহজ এবং তিনি মানুষদের জন্য এটা একটা নিদর্শন আর অনুগ্রহ হিসাবে ঠিক করে রেখেছেন। পরে মারিয়াম (আঃ)'র প্রসব ব্যথা উঠলে তিনি একটা খেঁজুর গাছের নিচে যান আর আফসোস করতে থাকেন যে এর থেকে তিনি মরে গেলে, বিস্মৃত হয়ে গেলেই ভালো হতো। তখন ফেরেশতা বলে উঠে আপনি চিন্তা করবেন না, আপনার রব আপনার নিচে দিয়ে ঝর্ণা বইয়ে দিয়েছেন আর খেঁজুর গাছের কান্ড ধরে আপনার দিকে নাড়া দিন, তা থেকে আপনার উপর তাজা-পাকা খেঁজুর পড়বে। আপনি খান, পান করুন আর চোখকে শীতল করুন। আর কোনো মানুষকে দেখলে বলুন আপনি কথা বলবেন না, মৌনব্রত পালন করছেন। এরপর ঈসা (আঃ) নিয়ে মারিয়াম (আঃ) সবার সামনে গেলে সবাই অবাক হয়ে বলতে থাকে: ও মারিয়াম আপনি তো জঘন্য কিছু করেছেন। অন্যরা বলতে থাকে: ও হারুনের বোন [সাইড নোট: মুসা (আঃ) ও তাঁর ভাই হারুন (আঃ) -এর সম্প্রদায় বা তাঁর অনুসারীদেরকে বনি-ইসরাইল বলা হয়, "হারুনের বোন"- আক্ষরিক অর্থে বোন নয়, সম্মানিত করতে বলা একটা উপমা]! না তোমার বাবা খারাপ ছিলেন আর না তোমার মা চরিত্রহীন। অর্থাৎ তাঁদের সন্তান হিসাবে তুমি এটা কী করলে? তখন মারিয়াম (আঃ) কোনো কথা না বলে শিশু ঈসা (আঃ) -র দিকে ইঙ্গিত করলে তারা বলে উঠে: আমরা কি করে একটা দোলনার শিশুর সাথে কথা বলবো? তখন অলৌকিকভাবে শিশু ঈসা (আঃ) বলে উঠেন: নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর বান্দা/দাস, তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন আর একজন নবী বানিয়েছেন। আর তিনি আমাকে কল্যাণময় করেছেন আমি যেখানেই থাকি না কেন, আর আমার উপর নামাজ আর জাকাত নির্দেশ করেছেন যতদিন আমি বেঁচে থাকি। আর তিনি আমাকে আমার মায়ের প্রতি অনুগত করেছেন, আমাকে উদ্ধত আর হতভাগ্য করেন নাই। আর আমার উপর শান্তি বর্ষণ করেছেন যেদিন আমি জন্মেছি, যেদিন মারা যাবো আর যেদিন আবার জীবিত উত্থিত হবো।
ইমাম বললেন খেয়াল করতে কুরআনে উল্লেখ আছে ঈসা (আঃ) বলছেন তিনি আল্লাহর দাস - -সন্তান কিংবা তিনি নিজে আল্লাহ নন (নাউযুবিল্লাহ); আর তাঁর উপর নামাজ আর জাকাত - দুইটা সমান গুরুত্ব দিয়ে নির্দেশিত হয়েছে। [সাইড নোট: সূরা মারিয়ামের এর পরের আয়াতে [সূরা নম্বর ১৯, আয়াত ৩৪ - ৩৫] আল্লাহ তা'য়ালা নিজেই বলছেন: এটাই ঈসা-ইবনে-মারিয়াম, যেটা সত্য, যা নিয়ে তারা (খ্রিস্টানরা) তর্ক করছে। আল্লাহর জন্য নয় সন্তান গ্রহণ। তিনি পবিত্র। তিনি যখন কিছু করার জন্য ঠিক করেন, তখন শুধু বলেন 'হও', আর তা হয়ে যায়]।
ইমাম বললেন, ঈসা (আঃ) যেখানে জন্মেছেন সেখানে ডিসেম্বর মাসে ঠান্ডা থাকার কথা। কুরআনে যেহেতু তাঁর জন্মের সময় পাকা খেঁজুরের রেফারেন্স আছে - সেটা কোনোভাবেই ডিসেম্বরের ওই ঠান্ডার মধ্যে হওয়ার কথা না। আরো পরের কোনো সময়ে হওয়ার কথা। ইমাম বললেন, ক্যাথলিকদের এন্সাইক্লোপিডিয়াতেও নাকি লেখা আছে যে ঈসা (আঃ) -এর জন্মদিন ঠিক কোনদিন হয়েছিল সেটা সুনির্দিষ্ট নয়। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন বা খ্রিষ্টমাস - ঈসা (আঃ) বা জিসাসের জন্মদিন হিসাবে পালন হচ্ছে কেন? কবে থেকে সেটা শুরু হয়েছে? ইমাম বললেন, ইতিহাসে আছে যে কনস্টান্টিনোপলের রোমান রাজা - ওই সময়ের ৩০০ -এরও বেশি খ্রিস্টান পাদ্রীদেরকে একত্রিত করে দায়িত্ব দেন, তারা যেন ঈসা (আঃ)-র অলৌকিক জন্ম, জন্মদিন, মৃত্যু আর খ্রিস্টান বিশ্বাস নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের একটা একক সিদ্ধান্ত দেন। তখন তারা কয়েকদিনের সম্মেলনের পর ২৫ ডিসেম্বর ঈসা (আঃ) বা জিসাসের জন্মদিন, তিনি আল্লাহ'র ছেলে সহ খ্রিস্টানদের ট্রিনিটি (বা তিন সত্তা)'র মূলতত্ত্ব সিদ্ধান্ত দেন। ওই সময়ে নাকি খ্রিস্টানদের অনেকগুলো 'ডোমিনিয়ন' বা গোত্র ছিল। তাদের অনেকেই ঈসা (আঃ) কে আল্লাহর ছেলে নয়, বরং নবী মানতো। কিন্তু ওই সম্মেলনের পর কনস্টান্টিনোপলের রোমান রাজা কঠোরভাবে অন্য সব 'ডোমিনিয়ন' বা মতবাদকে দমন করেন। মূল ৪ টা বই বাদে [সাইডনোট: যেগুলো বিভিন্ন পাদ্রীদের লেখা (যেমন লুক, ম্যাথিউ); যারা মূল ইঞ্জিল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছেন।], বাকি সব বাইবেল বা বই পুড়িয়ে ফেলেন, নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। যারাই এর বিরোধিতা করে তাদের ক্রুশবিদ্ধ করা সহ অন্য অত্যাচার করে দমন করেন। আর তারপর থেকেই আজকের খ্রিষ্টানদের এইসব বিশ্বাস চালু হয়।
এরপর ইমাম আলাপ করলেন ঈসা (আঃ) কে ঘিরে খ্রিস্টানদের থেকে আমাদের মুসলিমদের এইযে আলাদা মতবাদ - এব্যাপারে আমরা কি করতে পারি। ইমাম বললেন এই ব্যাপারটার দুটো দিক আছে: একটা ধর্মত্বত্ত (থিওলজি) আরেকটা সামাজিক (সোশ্যাল)। ধর্মতত্ত্ব নিয়ে আমরা আলাপ করার সময় পরিষ্কার ভাবে আমরা যে আলাদা সেটা বলবো। আমাদের কুরআনের আলোকে কথা বলবো। কিন্তু সামাজিকভাবে তাদের মেনে নিতে আমাদের কোনো বাধা থাকার কথা না। তাদের ছোট বা খারাপ চোখে দেখারও কোনো কারণ নাই। ইমাম নিজেই বললেন, আপনারা প্রশ্ন করতেই পারেন, আমরা সত্য ধর্ম পালন করছি, তাহলে আমরা কেন তাদেরকে ভুল বলে ছোট করে দেখতে পারবো না, দোষ কোথায়? ইমাম বললেন ভেবে দেখতে যে, তারাও তো মনে করছে তারা সত্য ধর্ম পালন করছে। এখন তারাও যদি আমাদেরকে ছোট করে দেখা শুরু করে তাহলে তো দুই পক্ষই একে অপরকে ঘৃণা করা শুরু করবে। এরপর ইমাম কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে বললেন [সাইডনোট: সূরা আন-আম, সূরা নম্বর ৬, আয়াত ১০৮], আল্লাহ তা'য়ালা নিজেই বলেছেন আমরা যেন অন্যদের উপাস্যদেরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য না করি। কারণ তাতে অজ্ঞতাবশতঃ তারাও আল্লাহকে নিয়ে বাজে কথা বলবে। ইমাম বললেন, হাদিসে আছে, একজন ইহুদীর দাফনের মিছিল যাওয়ার সময় রাসূল (সাঃ) দাঁড়িয়ে যান। তখন সাহাবীরা প্রশ্ন করলে তিনি নাকি উত্তর দেন, সে ইহুদি হলেও একজন মানুষ এবং সে হিসাবে সন্মান জানাতেই তিনি দাঁড়িয়েছেন! কাজেই, সামাজিকভাবে অন্য ধর্ম বা ধর্মাবলম্বীকে গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। ইমামের মতে তাদের ভালো চেয়ে দোয়া করতে কোনো অসুবিধা নেই, তারা মারা গেলে শোক প্রকাশ করতে, এমনকি "রেস্ট-ইন-পিস" বলতেও তিনি কোনো অসুবিধা দেখেন না।
সবশেষে ইমাম বললেন, আমাদের মধ্যে অনেক তফাৎ থাকলেও সামাজিকভাবে চলতে আমাদের যে মিলগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ করতে হবে। বললেন, আমেরিকার জাতীয় সংগীতে কিংবা ডলারের নোটে লেখা 'In God we trust' - এর উদাহরণ হতে পারে। আরো বললেন, আমরা যেন এই বছরের শেষ দিনে আর নতুন বছরের শুরুর জন্য টিভিতে প্রোগ্রাম দেখে আর হৈহুল্লোড় না করে বরং নিয়ত করি যে কুরআনে ঈসা (আঃ) কে নিয়ে যে সূরা গুলো আছে (সূরা আলে ইমরান (৩), সূরা মারিয়াম (১৯)) সেগুলো পড়বো, চিন্তা করবো।
খুতবার লিংক: https://fb.watch/hLY3Z1bQyH/
ইমামের পরিচিতির লিংক: http://www.iiboston.net/bio.html
বাংলায় ইহুদি-খ্রিস্টান-মুসলিমদের বিশ্বাস নিয়ে লেখা খুব সাবলীল একটা বই: হামিদ মুবাশ্বেরা'র "শিকড়ের সন্ধানে" : https://www.rokomari.com/book/195422/shikorer-sondhane
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন