এই শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (২২ মার্চ, ২০২৪): শোকর ও মানুষ। ইউসুফ (আঃ) আর মুসা (আঃ)'র মিল
এই শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (২২ মার্চ, ২০২৪): শোকর ও মানুষ। ইউসুফ (আঃ) আর মুসা (আঃ)'র মিল
ইমাম সাফওয়ান ঈদ । মুসলিম সেন্টার অফ গ্রেটার প্রিন্সটন, ওয়েস্ট উইন্ডসর টাউনশিপ, নিউ জার্সি
ইয়াকিন ইনস্টিটিউট । কুরআন ৩০ দিনে ৩০, ২০২৪ । ড. শাদী আল-মাসরি, ড. ওমর সুলাইমান, শেখ আবুল্লাহ অদূর
[সাইডনোট: গতকালকেই পডকাস্টটা শুনলাম। ইয়াকিন ইনস্টিটিউট গত পাঁচ বছর ধরে প্রতি রোজায় 'Quran 30 for 30' এই পডকাস্ট সিরিজটা বানাচ্ছে। রোজার প্রতিদিন, কুরআনের ৩০ পারার ওই দিনের পারার কোনো সূরা, এর আয়াত নিয়ে বক্তারা আলাপ করেন। যেই পডকাস্টটা শুনলাম, সেটা ছিল সূরা হুদ আর সূরা ইউসুফ -র [জুয/পারা ১২, সূরা নম্বর ১১, ১২] উপর আলোচনা। আমি মাঝে মাঝে পডকাস্টগুলা শুনি। গতকালকে লম্বা পথ ড্রাইভ করে আসার সময় এইটা শুনলাম। ২৮ মিনিটের চমৎকার আলোচনা। ইউসুফ (আঃ) আর মুসা (আঃ)'র কাহিনীর যে এতো মিল - আগে জানতাম না, কখনো চিন্তা করে দেখি নাই। অবশ্য মিল না বলে উল্টো-মিল বলা উচিত মনে হয়। তাই, খুতবার পাশাপাশি এই আলোচনার অংশ [আবারো শুনে শুনে] লিখবো। আর ওই আলোচনার শেষের রিফ্লেকশনটা আমি লেখার চেষ্টা করলেও, কখনোই ভালোভাবে লিখতে পারবো না। কাজেই, লিংক দিয়ে দিচ্ছি, অবশ্যই নিজেরা দেখে-শুনে নিলে সবচেয়ে ভালো হবে।]
ইমাম বললেন, আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদত করার জন্য - এইটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু শুধু তার ইবাদত করার জন্য হলে তো ফেরেশতা তৈরী করলেই হতো, মানুষ কেন তৈরি করলেন? কারণ, ফেরেশতাদের কোনো 'মত বা বেছে নেয়ার' ক্ষমতা নাই, তাদের যা করতে বলা হয়, তারা শুধু তাইই করে। এর উত্তরে ইমাম বললেন, মানুষকে আল্লাহ ফেরেশতাদের উপরে তৈরী করেছেন। 'আশরাফুল মাখলুকাত' বা সৃষ্টির সেরা হিসাবে তৈরী করেছেন। প্রমাণ হিসাবে বললেন, 'মেরাজে' জিব্রাইল (আঃ) এক পর্যায়ে আর উপরে উঠতে পারেন নাই, শুধু রাসূল (সাঃ)'র এর উপরে যাওয়ার অনুমতি আছে - এই উদাহরণ দিলেন। [সাইডনোট: আর কুরআনে তো আল্লাহ ফেরেশতাদেরকে আদম (আঃ) কে সেজদা করতে বলেছেনই]। ইমাম বললেন, মানুষের ভালো-মন্দ বেছে নেয়ার ক্ষমতা আছে। আর তাই, আল্লাহ'র ইবাদত সে করবে কিনা সেটাও তার ইচ্ছা। কিন্তু আল্লাহ তা'য়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন যেন সে কৃতজ্ঞতাভরে, শুকরিয়া আদায় করার জন্য, ভালোবেসে স্বেচ্ছায় আল্লাহ'র ইবাদত করে। এরপর ইমাম এই কথার ব্যাখ্যা করলেন।
ইমাম মজা করে বললেন, আমরা যারা এইখানে বসে আছি তারা সবাই একেকজন 'বিলিওনিয়ার'। বললেন চিন্তা করে দেখতে যদি আজকে কোনো অন্ধ বিলিওনিয়ার এসে আপনাকে বলে আপনার চোখ তাকে দিয়ে দিতে, বিনিময়ে সে আপনাকে অনেক টাকা দিবে, আমরা কী রাজি হবো? অথবা আমাদের হৃদপিন্ড কিংবা শুনতে পাওয়ার ক্ষমতা? শ্বাস-প্রশ্বাসের কথা তো বাদই দিলেন। সেই হিসাবে আমরা প্রত্যেকেই 'বিলিয়ন' ডলারের বেশি সম্পদ নিজেদের মধ্যে নিয়ে বসে আছি। তারচেয়ে বড় কথা, এই সম্পদ পেতে আমাদের কিছুই করতে হয় নাই। শুধু এই 'ভালো থাকার জন্য, বেঁচে থাকার জন্য' যা আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের যা যা দিয়েছেন, আর কিছু না পেলেও তো শুধু সেইগুলোর জন্যও আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, শোকর করা উচিত। এরপর আরো উদাহরণ দিলেন: আমাদের যাদের বাচ্চা আছে, অনেক সময় দেখা যায়, তাদের অনেক কিছু কিনে দেয়ার পরও তারা অন্য জিনিসের বায়না ধরে। আমাদের তখন বলতে ইচ্ছা করে যে, এতো কিছু দিলাম, তাও কেন খুশি হও না? যা আছে তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে কেন যেই জিনিসটা নাই - সেটাই কিনতে হবে, পেতে হবে?! ইমাম বললেন, সেই একই ভাবে, আমরাও এক প্রকার বাচ্চাদের মতো, ছেলেমানুষি করে আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের যা দিয়েছেন, তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে খালি আরো বেশি বেশি চাই।
ইমাম বললেন, আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে ইব্রাহিম (আঃ)'র বৈশিষ্ট্য বলতে গিয়ে তাঁর এই শুকরিয়া করার বৈশিষ্ট উল্লেখ করেছেন। আরো নবী-রাসূলের (সাঃ) কাহিনী দেখলেও দেখবো তাঁরা প্রত্যেকেই শুকরিয়া আদায় করেছেন, কৃতজ্ঞ ছিলেন। [সাইডনোট: সূরা ইব্রাহীমে, সূরা নম্বর ১৪, আয়াত ৭-এ আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেন, "যদি তোমরা শুকরিয়া করো, তবে আরো অধিক দেব, আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার শাস্তি অবশ্যই কঠোর"। আর মজার ব্যাপার হলো, এই আয়াতে 'অকৃতজ্ঞ' বলতে আল্লাহ তা'য়ালা 'কাফার' বা কুফর শব্দ ব্যবহার করেছেন। কাজেই এই অর্থে আল্লাহতে অবিশ্বাস করা আর 'অকৃতজ্ঞ' হওয়া সমার্থক]
সবশেষে ইমাম বললেন, আমাদের কারো ঈমান বৃদ্ধি করতে হলে, কাউকে আল্লাহ'র ইবাদতে উদ্বুদ্ধ করতে হলে প্রথমেই তাকে তার অন্তরে 'শোকর' করার, কৃতজ্ঞ হওয়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। সহীহ হাদিসে আছে, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, প্রত্যেকের কাজের বিচার হবে তার কাজ না বরং কাজের পেছনের নিয়তের/উদ্দেশ্যের উপর। কাজেই আমাদের নামাজ-রোজা-জাকাত সহ সব ইবাদতের পেছনের উদ্দেশ্য হতে হবে এই 'শুকরিয়া' বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন, আল্লাহকে ভালোবেসে, আল্লাহকে খুশি করার জন্য।
----
কুরআনে ইউসুফ (আঃ) আর মুসা (আঃ)'র ঘটনা খুব গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। আমি নিচে ওই পডকাস্ট থেকে তাদের মধ্যে মিল বা উল্টো-মিলগুলোর আলোচনা পয়েন্ট আকারে লিখছি।
* ইউসুফ (আঃ) বনি-ইসরাইলের প্রথম ব্যক্তি যিনি মিশরে পা দিয়েছেন, আর মুসা (আঃ) শেষ ব্যক্তি হিসাবে মিশর থেকে বাইরে 'পা' দিয়েছেন, অর্থাৎ বেরিয়ে এসেছেন। ইউসুফ (আঃ) 'পবিত্র ভূমি' বা ফিলিস্তিন থেকে মিশরে গিয়েছিলেন, আর মুসা(আঃ) মিশর থেকে বেরিয়ে পবিত্র ভূমিতে গিয়েছেন।
* দুইজনের জীবনেই একজন অভিভাবকের ভূমিকা বেশি। ইউসুফ (আঃ)'র মা মারা গিয়েছিলেন, তাঁর জীবনে তাঁর বাবার [ইয়াকুব (আঃ)]'র ভূমিকা বেশি। আর মুসা (আঃ)'র জীবনে এর উল্টো, তাঁর মায়ের ভূমিকা বেশি।
* দুইজনের জীবনেই প্রথমেই পানিতে নিক্ষেপের ঘটনা আছে। ইউসুফ (আঃ) কে মারার উদ্দেশ্যে কুয়াতে ফেলে দেয়া হয়েছিল, আর মুসা (আঃ) কে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে নদীতে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। খেয়াল করার বিষয়, পানির প্রকারও উল্টো: কুয়ার পানি অল্প, স্থির আর নদীর পানি অনেক আর বহমান।
* দুইজনই জীবনে পালক হিসাবে ছিলেন। কিন্তু দুইজনকেই পালক হিসাবে নিয়েছে মিশরের রাজকীয় পরিবার। আবার দুইজনের পালক পরিবারের আবার উল্টো-মিল আছে। ইউসুফ (আঃ) কে গ্রহণ করে মিশরের 'আজিজ' পরিবার যেইখানে সেই পরিবারের পুরুষ তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। ইউসুফ (আঃ) তাঁর বাবা ইয়াকুব (আঃ) কে হারিয়ে 'আজিজ' পরিবারের পুরুষকে তাঁরবা 'বাবা' হিসাবে পেয়েছেন, কিন্তু সেখানে নারী ছিলেন খারাপ। আবার মুসা (আঃ) তাঁর মাকে হারিয়ে ফিরাউনের পরিবারের নারী আসিয়া (আঃ) কে তাঁর 'মা' হিসাবে পেয়েছেন, কিন্তু পুরুষ ফিরাউন কখনোই তাঁকে দেখতে পারতো না।
* দুইজনই এই পালক পরিবার থেকে বাজে ভাবে বের হয়েছেন। ইউসুফ (আঃ) কে বের হয়ে ছোট, আঁটোসাঁটো কারাগারে যেতে হয়েছে। আর মুসা (আঃ) কে পালিয়ে 'মেডিয়ান'- এ যেতে হয়েছে, যেটা আবার খোলা ময়দানে। দুইজনকেই বাজে পরিস্থিতিতে মিশর থেকে বের হতে হয়েছে, কিন্তু উল্টো পরিবেশে যেতে হয়েছে। আবার দুইজনই পরের ১০ বছর এই নতুন পরিবেশে থাকতে হয়েছে।
* ইউসুফ (আঃ)'র কারাগারের প্রকোষ্ঠে সাথী কারা? কুরআনে উল্লেখ আছে, তারা দুইজন মূর্তিপূজক পুরুষ ছিল। আবার মুসা (আঃ) মেডিয়ানে প্রথমে দুইজনকে খুঁজে পান, কারা তারা? দুইজন বিশ্বাসী নারী। এইখানেও সংখ্যায় মিল, কিন্তু তাদের বিশ্বাসে, লিঙ্গের ধরণে আবার বিপরীত।
* দুইজনই এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আবার মিশরের সমাজে ফিরে আসলেন। কিন্তু ভিন্ন কাজে, ভিন্ন উদ্দেশ্যে। ইউসুফ (আঃ) ফিরলেন মিশরের রাজাকে তার রাজ্য রক্ষায় সাহায্য করতে, কিন্তু মুসা (আঃ) ফিরলেন ফিরাউনের অবৈধ দাসপ্রথা ভাঙতে - বনি ইসরাইলকে মুক্ত করতে।
* তাঁদের প্রতি রাজাদের মনোভাবও ভিন্ন হলো। ইউসুফ (আঃ) কে মিশরের রাজা সাদরে গ্রহণ করলেন, তাঁর প্রতি ভালো আচরণ করলেন, রাজ্য পরিচালনায় তাঁকে সঙ্গী হিসাবে সাথে নিলেন। এর ফলও ভালো হলো, মিশর [দুর্ভিক্ষ থেকে] রক্ষা পেলো। আবার উল্টো দিকে মুসা (আঃ) প্রতি ফিরাউন শত্রুতা করলো, এর ফল ভালো হলো না। ফিরাউন তার দলবল নিয়ে ডুবে ধ্বংস হলো।
* দুইজনের শেষেও বৈপরীত্য দেখা যায়। ইউসুফ (আঃ) তাঁর বাকি জীবন মিশরেই কাটিয়ে মিশরেই মারা যান। কিন্তু মুসা (আঃ) মিশর থেকে বেরিয়ে কিছুদিন পরেই পবিত্র ভূমির বাইরে মারা যান।
উপরের পয়েন্ট গুলো বলার পর বক্তা বললেন, যেইখানে দুইজনের ঘটনা গুলোই একই রকম, সমান্তরাল কিন্তু উল্টো, পাজেলের টুকরোর মতো খাপে খাপে মিলে যায়, তখন আপনাকে বলতেই হবে এই ঘটনাগুলোর সৃষ্টিকর্তা একই। বক্তা আরো একটা জিনিস বললেন, কুরআনে এই ঘটনা গুলোর বর্ণনাতেও বৈপরীত্য আছে। ইউসুফ (আঃ) 'র ঘটনা কুরআনের এক জায়গায় বলা আছে, কিন্তু মুসা (আঃ)'র ঘটনাগুলো পুরা কুরআনে ছড়ানো ভাবে বলা আছে [সুবহানাল্লাহ]!
আল্লাহ তা'য়ালা এই ঘটনা গুলো কুরআনে বলেছেন যেন তাঁর রাসূল (সাঃ) সেগুলো থেকে শিক্ষা নেন, সান্তনা খুঁজে পান। রাসূল (সাঃ)'র জীবনের অভিজ্ঞতায় "নসিবে" এই ইউসুফ (আঃ) আর মুসা(আঃ)'র জীবনের ঘটনাগুলোর মিল পাওয়া যায়। যেমন, ইউসুফ (আঃ)'র ভাইদের মতো রাসূল (সাঃ)'কেও তাঁর ভাই, কুরাইশরা মক্কা থেকে বের হতে বাধ্য করেন। আবার মদিনায় রাসূল (সাঃ) স্বাগত হন অনেকটা ইউসুফ (আঃ) যেমন মিশরের 'আজিজ' পরিবারে স্বাগত হন। আবার মদিনায় যাওয়ার আগে রাসূল (সাঃ) তায়েফ শহরবাসীর কাছ থেকে বাজে ব্যবহারের সম্মুখীন হন, অনেকটা যেমন মুসা (আঃ) ফেরাউনের কাছে বাজে ব্যবহার পান। আবার মুসা(আঃ) যেমন আল্লাহ'র কাছ থেকে আইন বা শরিয়া পান, একইভাবে আমাদের রাসূল (সাঃ) আল্লাহ'র কাছ থেকে নতুন শরীয়া পান। আবার শেষে ইউসুফ (আঃ) যেমন তাঁর পরিবারের সাথে মিলিত হন, সবাইকে মাফ করে দেন; আমাদের রাসূল (সাঃ)'ও মক্কা বিজয়ের পর তার পরিবার কুরাইশদের সাথে মিলিত হন, তাদেরকে মাফ করে দেন। আর রাসূল (সাঃ) এই দুইজায়গায়ই তার কাওমের উদ্দেশ্যে মুসা (আঃ)'র আর ইউসুফ (আঃ)'র তাদের কাওমের উদ্দেশ্যে যেই কথাগুলো বলেন, সেই উক্তিগুলো ব্যবহার করেন।
সবশেষে বক্তারা বলেন, কুরআন যেহেতু সবশেষ আসমানী কিতাব, সেই হিসাবে এইখানে জীবনের সবগুলো ইনগ্রিডিয়েন্ট বা দরকারি উপাদান থাকবে সেইটাই স্বাভাবিক। উদাহরণ দিয়ে বললেন, রাসূল(সাঃ) কুরআন থেকে ইব্রাহিম (আঃ)'র উক্তি: হাসবিয়াল্লাহু না'মাল ওয়াকিল ব্যবহার করেন খন্দকের যুদ্ধে, আবার মরিয়ম (আঃ)'র ঘটনা থেকে সান্তনা পান। মরিয়ম (আঃ) যেমন ঈসা (আঃ) কে নিয়ে উচ্চ মর্যাদার জায়গা থেকে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন, তাঁকে দোষী করা হয়। একইভাবে রাসূল (সাঃ) তাঁর পরিবারকে [আয়েশা (রাঃ)] নিয়ে একইরকম পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যান। কুরআনে লুত (আঃ)'র কাওমের ঘটনা আছে। রাসূল (সাঃ)'র সময়ে ওই সমস্যা না থাকলেও, আমাদের সময়ে আমরা সেই সমস্যার সুম্মুখীন হচ্ছি।
[সবশেষ: ইমাম সাফওয়ান ঈদ সেইদিন বলছিলেন, কুরআন একটা ধারাবাহিক কিতাব না। আয়াতের পর আয়াতে টপিক থেকে টপিকে ঘটনা লাফ দেয়। দেখা যাবে, কুরআনের এক জায়গায় পড়তে গিয়ে মনে একটা প্রশ্ন মনে আসছে, কিন্তু এর উত্তর সাথে সাথেই নাই, পরের কোনো এক সূরার কোনো এক আয়াত পড়তে গিয়ে পাওয়া যাবে। আবার, একই আয়াত অন্য একদিন পড়ার সময় সেখান থেকে নতুন একটা উপলব্ধি হবে। কুরআন কখনো পুরানো হবে না আর এইখানেই কুরআনের বিস্ময়, মুজেজা। গতকালকের পডকাস্টের আলোচনাটা শুনে ইমামের এই কথাটা নতুন করে উপলব্ধি করলাম।]
কুরআন ৩০ দিনে ৩০ পডকাস্টের লিংক: https://youtu.be/zwtGEPocd2A?si=ukSI2WvfWCE8xYeu
গত চার সিজনের আলোচনার উপর ফ্রি পিডিএফ বই: https://yaqeeninstitute.org/read/books/quran-30-for-30-thematic-tafsir?utm_source=google,adwords&utm_medium=paid,ppc&utm_campaign=Ramadan-2024-quran30for30,Ramadan%202024%20-%20Quran%2030for30%20eBook&utm_content=q30for30-overview-ebook-thematic-tafsir-ad1&utm_term=quran%2030%20for%2030
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন