রাসূল (সাঃ) আর সীরাত সম্পর্কে কয়েকটা ইন্টারেষ্টিং ফ্যাক্টস জানলাম, শেয়ার করছি :
ডিসক্লেইমার: আমার শোনার ভুল হতেই পারে, নিজেরা যাচাই করে নিবেন।
রাসূল (সাঃ) আর সীরাত সম্পর্কে কয়েকটা ইন্টারেষ্টিং ফ্যাক্টস জানলাম, শেয়ার করছি :
১. কুরআনে আল্লাহ তা'য়ালা সরাসরি 'মুহাম্মদ' মাত্র চারবার উল্লেখ করেছেন। এরমধ্যে দুইবার "মুহাম্মদূর রাসূলুল্লাহ" (অর্থাৎ মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল) হিসাবে এসেছে। আর কালেমা শাহাদাত বলে আমরা যেইটা জানি, অর্থাৎ "লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুররাসূলুল্লাহ" - এইটা নাকি কুরআনে একসাথে, আয়াত হিসাবে কোথাও আসে নাই! "লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ" আর "মুহাম্মাদুররাসূলুল্লাহ" আলাদা আলাদা ভাবে এসেছে!
২. রাসূল (সাঃ) তাঁর সারা জীবনে নাকি কোনোদিন ভাত খান নাই। কারণ উনার সময় আরবে ভাতের কোনো প্রচলন ছিল না। রুটি ছিল মূল খাদ্য, যেটাকে আমরা ইংরেজিতে "স্টেপল ফুড" বলি। ভাতের সাথে মুসলিমদের পরিচয় নাকি রাসূল (সাঃ)'র পরে পারস্য আর রোমান সাম্রাজ্য বিজয়ের পর।
৩. কুরআনে সরাসরি নাম বলে আল্লাহ তা'য়ালা উল্লেখ করেছেন মাত্র একজন সাহাবীকে। তিনি রাসূল (সাঃ)'র পালক পুত্র জায়েদ ইবনে হারিসা। এই বিরল সন্মান আর কোনো সাহাবীর নেই। এমনকি আবু বকর (রাঃ)কে আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে রাসূল (সাঃ) হিজরতের সঙ্গী/সাথী হিসাবে উল্লেখ করেছেন, নাম দিয়ে উল্লেখ করেন নাই। এই জায়েদ ইবনে হারিসা রাসূল (সাঃ) বেঁচে থাকতেই মারা যান। বলা হয়, যদি জায়েদ ইবনে হারিসা রাসূল (সাঃ)'র মৃত্যুর পর বেঁচে থাকতেন, তাহলে নাকি সম্ভবত তাঁকেই ইসলামের প্রথম খলিফা করা হতো!
রেফারেন্স: ইয়াসির কাদির সীরাত লেকচার, লেকচার নম্বর ৬৯-৭০।
কুরআনে একই শব্দ অনেকবার আসে। অনেকসময় একই মূল অক্ষরের কিন্তু ভিন্ন ফরম্যাটে ভিন্ন অর্থে শব্দ আসে। যেমন 'ইসলাম' আর 'মুসলিম' কিন্তু একই মূল অক্ষর থেকে আসা শব্দ। উপরের এই ভিডিওতে এনিমেশন কনটেক্সট দিয়ে কুরআনে আসা প্রায় ৮৫% শব্দের অর্থ শেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এইগুলো শিখে ফেলতে পারলে কুরআনে পড়লে, কিংবা শুনলে অনেক অর্থই বোঝা যাবে, ইনশাআল্লাহ। ডিসক্লেইমার: আমি মাত্রই শেখা শুরু করছি।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন