শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (১৫ অগাস্ট, ২০২৫): কুরআনের ৫ আয়াতে আমাদের জন্য বিস্ময়

শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (১৫ অগাস্ট, ২০২৫):  কুরআনের ৫ আয়াতে আমাদের জন্য বিস্ময় 

শেখ ইউসুফ বাকীর । মুসলিম সেন্টার অফ গ্রেটার প্রিন্সটন । ওয়েস্ট উইন্ডসর, নিউ জার্সি


[ডিসক্লাইমার: বরাবরের মতো এবারেও বলছি: আমার শোনার, বোঝার ভুল হতে পারে, নিচে খুতবার রেকর্ডিং'র লিংক দিয়ে দিচ্ছি, নিজেরা শুনে, যাচাই করে নিয়ে দেখলে সবচেয়ে ভালো হয়। তবে এই খুতবাটা শুনে আমি খুবই বিস্মিত হয়েছি। আমি বাংলায় সংক্ষেপে সহজে লেখার চেষ্টা করছি, কতটুকু হবে জানি না।] 

ইমাম খুতবা শুরু করলেন এই বলে যে কুরআন আরবি ভাষায় নাজিল হওয়ায় তখনকার যুগে এইটা একটা পরিষ্কার বিস্ময় বা মুজেজা ছিল। কারণ তখনকার আরব সমাজ তাদের ভাষার ব্যাপারে খুবই গর্বিত ছিল এবং কুরআনের ভাষা যে অন্য মাত্রার, তখনকার সাধারণ কোন মানুষের পক্ষে এইরকম কিছু বানানো যে সম্ভব না, সেটা তাদের বুঝতে অসুবিধা হয় নাই বা হওয়ার কথা ছিল না। কুরআনেও আল্লাহ তা'য়ালা অনেকটা চালেঞ্জ করে বলেছেন পারলে কুরআনের মতো একটা সূরা কিংবা একটা আয়াত কেউ বানিয়ে আনুক তো! এরপর ইমাম বললেন, কিন্তু আমাদের সময়ে আমরা কিভাবে এই বিস্ময় উপলব্ধি করবো? আমরা তো কেউ আরবি ভাষায় অতটা পারদর্শী না। ইমাম বললেন, তিনি প্রায়ই ভাবেন আমাদের জন্য কুরআনের বিস্ময় কী হতে পারে?  এরপর বললেন, তিনি সাইকোলজি নিয়ে পড়াশুনা করেন, মানুষের মনস্তত নিয়ে তাঁর প্রফেসরের সাথে কয়েকদিন আগে এক আলাপচারিতায় এমন একটা বিষয় উঠে এসেছে, যেটা কুরআনের এক আয়াতে তিনি পেয়েছেন আর সেটা তাঁকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তাঁর মনে হয়েছে এই বিষয়টা সবার সাথে শেয়ার করা উচিত আর তাই তিনি আজকের খুতবায় সেই আয়াত সহ মোট ৫ টা আয়াত নিয়ে আলাপ করবেন যেটা আমাদের জন্য এই যুগে এসে উপলব্ধি করে কুরআনের ব্যাপারে বিস্মিত হতে, উৎসাহিত হতে সাহায্য করবে। 

ইমাম এরপর বললেন, মনে রাখতে হবে কুরআন প্রায় ১৫০০ বছর আগে নাজিল হওয়া কিতাব। আর সমালোচকদের মতে রাসূল (সাঃ) এটা নিজে বানিয়েছেন। কিন্তু এই আয়াত গুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা উপলব্ধি করবো যে প্রায় ১৫০০ বছর আগে একজন অক্ষরজ্ঞানহীন মরুর মানুষ, যিনি কোনোদিন কোনো বই পড়েন নাই, যখন কোনো টেকনোলজি ছিল না, তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই এই বিষয়গুলো জানা সম্ভব না। আর তাতে প্রমাণ হয় এই কুরআন অবশ্যই আল্লাহর কাছ থেকে আসা আসমানী কিতাব। ইমাম আরেকটা মন্তব্য করলেন, এই কুরআন এমন এক কিতাব যেটাতে সব ধরণের মানুষের জন্য কিছু না কিছু বিস্ময়, মুজেজা আছে। আপনি যদি হৃদয়/অন্তর দিয়ে চালিত কোনো মানুষ হন, অথবা মস্তিষ্ক, বুদ্ধি-যুক্তিবাদী কেউ হন, কিংবা ইতিহাস আপনাকে আলোড়িত করে - দেখবেন সবার জন্যই কোনো না কোনো বিস্ময়কর আয়াত এই কুরআনে আছে, যেটা আপনাকে শিহরিত করবে। আর তিনি আজকে এমনই ৫ টা আয়াত নিয়ে আলোচনা করবেন। 

প্রথম আয়াত: ইমাম বললেন, তাঁর প্রফেসর সেদিন বলছিলেন মানুষের মস্তিষ্কের যেই অংশ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে - সেটা ভালো হোক, কিংবা মন্দ - সেটা হয় মস্তিষ্ককের সামনের জায়গা থেকে, যেটা আমাদের কপালের ঠিক পেছনে, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স বলে, অনেক সময় "ফ্রন্টাল লোব" বলে। এইটা শুনে তাঁর সাথে সাথে মনে হয়েছে সূরা আল-আলাকের আয়াত [সূরা নম্বর ৯৬, আয়াত ১৫ -১৬: যার অর্থ অনেকটা এই রকম: "কিন্তু না! সে যদি না থামে, তাহলে আমরা তাকে মাথার সামনের চুলগুচ্ছ ধরে টেনে হেচড়িয়ে নিয়ে যাবো, মিথ্যাবাদী, পাপাচারী চুলগুচ্ছ"] - যেখানে আল্লাহ তা'য়ালা সাবধান করে দিচ্ছেন, যারা রাসূলের (সাঃ) আহ্বান আর কুরআনের আয়াত অবজ্ঞা করে মুখ ফিরিয়ে নেয়, অর্থাৎ তা না মানার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে মাথার সামনের এই 'ফ্রন্টাল লোব' ধরে তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে [যেটাকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে মাথার সামনের চুলগুচ্ছ!]। মস্তিষ্কের যেই অংশ এই অপরাধের জন্য দায়ী, এই অংশ ধরে নিয়ে শাস্তি দেয়া হবে, অন্য কোনো অংশ না - এমন নিখুঁত/প্রিসাইস আয়াত কী বিস্ময়কর নয়? রাসূল (সাঃ)'র যুগে এই 'ফ্রন্টাল লোব' যে ভালো-মন্দের সিদ্ধান্ত নেয়, এই তথ্য তো কারো জানার কোনো প্রশ্নই আসে না!

দ্বিতীয় আয়াত: আল্লাহ কুরআনে বলেছেন কিয়ামত কবে হবে সেটা শুধুমাত্র তাঁর জানা আছে, এই তথ্য তিনি আর কাউকে দেন নাই। এই সম্পর্কে একটা আয়াত হচ্ছে সূরা লুকমানের [সূরা নম্বর ৩১, আয়াত ৩৪] আয়াত যার অর্থ অনেকটা এই রকম: "[কিয়ামতের] ঘন্টার জ্ঞান শুধু আল্লাহ'র কাছেই আছে, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন  [মাতৃ] গর্ভে কী আছে"। ইমাম বললেন আপাত দৃষ্টিতে এই আয়াতে এমন কিছু বিশেষত্ব আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এই আয়াতে আরবি 'ইন্নাল্লাহা ই'ন্দাহু ই'লমুস্সাআ' বলতে "সাআ' বা ঘন্টার ই'লম বা জ্ঞান শুধুমাত্র 'ই'নদাহা' - অর্থাৎ আল্লাহ'র কাছেই আছে। কিন্তু এরপর মাতৃ গর্ভে কী আছে, সেই সম্পর্কে বলতে আল্লাহ তা'য়ালা কিন্তু  'ইন'দাহা' (শুধু মাত্র তাঁর কাছে আছে) এই শব্দ ব্যবহার করেন নাই। ইমাম বললেন, আল্লাহ যেন এই জ্ঞানের দরজা তখনই খুলে রেখেছিলেন। যখন কুরআন নাজিল হয়েছিল, সেই সময় তো নাই-ই, মাত্র কয়েকযুগ আগেও [ইমাম তাঁর দাদার উদাহরণ দিলেন] মাতৃগর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে - এসম্পর্কে মানুষ জানতো না। এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানের উৎকর্ষে শুধু তাই-ই না, মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের কোনো জেনেটিক সমস্যা আছে কিনা, সেটাও বলে দেয়া যায়। এই আয়াত নাজিলকালে যদি আল্লাহ তা'য়ালা বলতেন কিয়ামতের "সময়"-এর মতো  মাতৃগর্ভে থাকা সন্তান সম্পর্কে 'শুধু মাত্র' আল্লাহ তা'য়ালাই জানেন, তাহলে তখনকার সময় সবাই সেটা মেনে নিলেও, আজকের যুগে এসে সেটা মিথ্যা হয়ে যেত, [কারণ এখন মানুষজন আগেই জানতে পারে অনাগত সন্তান সম্পর্কে], কুরআন ভুল প্রমাণিত হতো। শুধু মাত্র একটা শব্দ, কিন্তু সেটার ব্যবহারেও কুরআন কতটা নিখুঁত, প্রিসাইস সেটা চিন্তা করে দেখেছেন কী? [সুবহানাল্লাহ!] 

তৃতীয় আয়াত: ইমাম প্রশ্ন করলেন, বলুন তো মাতৃ গর্ভে সন্তানের কোনটা আগে তৈরী হয়: শ্রবণশক্তি, নাকি দৃষ্টি শক্তি? [কেউ একজন আবার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিলে ইমাম বললেন, আপনারা উত্তর দিবেন না, এটা জুমুআ'র খুতবা, আমি আপনাদের চিন্তা করার জন্য প্রশ্নটা করছি]। ইমাম বললেন, আল্লাহ তা'য়ালা সূরা আন-নাহালে [সূরা নম্বর ১৬, আয়াত ৭৮-র অংশ বিশেষ] মানুষকে মাতৃগর্ভে কিভাবে তৈরি করেছেন সেটা বলেছেন। আল্লাহ বলছেন, যার অর্থ অনেকটা এইরকম: "আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের পেট থেকে বের করেন, তোমরা জানতে না কিছুই। তিনি তৈরী করেছেন তোমাদের জন্য শ্রবণশক্তি আর দৃষ্টিশক্তি... " ইমাম বললেন, খেয়াল করুন, আল্লাহ তা'য়ালা আগে শ্রবণশক্তি আর তারপর দৃষ্টিশক্তির উল্লেখ করেছেন। ১৫০০ বছর আগে রাসূল (সাঃ)'র পক্ষে এই তথ্য কী কোনোভাবে জানা সম্ভব ছিল? এখন না হয় আমরা আল্ট্রাসাউন্ডসহ চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্য উৎকর্ষের কারণে এইসব অজানা বিষয় জানতে পারছি। [এই বিষয়ে শেষে সাইডনোটে আজকে ঘটে যাওয়া আরেকটা বিষয় লিখেছি]

চতুর্থ আয়াত: এইবার ইমাম বললেন, যারা সমুদ্রবিজ্ঞান নিয়ে জানেন তারা এই আয়াতকে এপ্রিশিয়েট করতে পারবেন। বললেন, চিন্তা করে দেখুন, রাসূল (সাঃ)'র যুগে তিনি সহ বাকিরা হয়তো সমুদ্র দেখেছেন, তার উপরে ঢেউ দেখেছেন, কিন্তু সমুদ্রের তলদেশ কী হয় সেটা কি কোনোভাবে জানতে পারতেন? কিন্তু আল্লাহ তা'য়ালা সূরা আল-নূর-এ বলছেন [সূরা নম্বর ২৪, আয়াত ৪০'র অংশবিশেষ], যার অর্থ: "অথবা (কাফিরদের অবস্থা) বিশাল গভীর সমুদ্রে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে ঢেউয়ের উপরে ঢেউ ..."। ইমাম বললেন, এখনকারদিনে বিজ্ঞান আর গবেষণা বলছে সূর্যের আলো সমুদ্রের গভীরে ২০০ মিটার (প্রায় ৬৫০ ফুট) পর্যন্ত যায়, তারপর অন্ধকার। এর আরো নিচে গেলে একেবারে নিকষ কালো অন্ধকার। আর সমুদ্রের উপর আমরা ঢেউ দেখি, কিন্তু সমুদ্রের নিচেও পানির বিভিন্ন স্তরের যে বিভিন্ন ঢেউ আছে, সেটা এখন জানা গেছে! ইমাম বললেন, সমুদ্রের নিচেও যে পানির ঢেউ আছে, সেটা তিনি এই কিছুদিন আগ পর্যন্তও জানতেন না। আল্লাহ তা'য়ালা ১৫০০ বছর আগেই সেটা কুরআনে উল্লেখ করে রেখেছেন, সুবহানাল্লাহ!

পঞ্চম আয়াত: ইমাম বললেন এই আয়াত যারা ইতিহাস ভালোবাসে তাদের জন্য বিস্ময়কর হবে। কুরআনে মুসা  (আঃ)'র সময়ে মিশরের রাজাকে ফিরাউন উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি, এই ফিরাউন একটা উপাধি, কারো নাম না। মুসা (আঃ) সময়ে মিশরের রাজাদের 'ফিরাউন' বলা হতো। কিন্তু তার অনেক আগে ইউসুফ (আঃ)'র ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে কুরআনে তখনকার মিশরের রাজাকে 'মালিক' বা 'আজিজ' বলা হয়েছে, 'ফিরাউন' কিন্তু বলা হয় নাই। যদিও বাইবেলে দুই সময়ের মিশরের রাজাকেই নাকি 'ফিরাউন' বলা হয়েছে। ইতিহাসবিদরা নাকি পরে আবিষ্কার করেছেন, আসলেই মিশরের রাজাদের 'ফিরাউন' উপাধি অনেক পরে চালু হয়েছে, ইউসুফ (আঃ) সময়কার রাজাদের 'ফিরাউন' বলা হতো না! অর্থাৎ, কুরআনে এই সুক্ষ ব্যাপারটাও সঠিকভাবে বলা হয়েছে!  কী নিখুঁত নয় কি ব্যাপারটা !?

সবশেষে ইমাম বললেন, আর এভাবেই কুরআন সব যুগে, সব সময়ে, সব ধরণের মানুষের জন্যই কোনো না কোনো বিস্ময় নিয়ে সব সময় প্রাসঙ্গিক থাকবে। আগে কোনো একটা আয়াত হয়তো ভালোভাবে বোঝা যায় নাই, সেটা এখন এসে আমরা উপলব্ধি করছি [একই ভাবে এখন হয়তো কোনো আয়াত আমরা পুরোপুরি বুঝবো না, ভবিষ্যতে মানুষরা হয়তো পরে ঠিকই উপলব্ধি করবে।] 

[সাইডনোট: মাতৃগর্ভে শ্রবণশক্তির পর দৃষ্টিশক্তি তৈরী হয়, এই আয়াতের রেফারেন্স খুঁজতে গিয়ে পেলাম, আয়াতের পরের অংশে আল্লাহ তা'য়ালা বলছেন [সূরা আন-নাহালে, সূরা নম্বর ১৬, আয়াত ৭৮-র শেষ অংশ] : "আর অন্তর/হৃদয় দান করেছেন যাতে তোমরা শোকর আদায় করতে পার।" আমার একটু খটকা লাগলো, তার মানে কি আল্লাহ বলছেন তিনি মানুষকে শ্রবণশক্তি দিয়েছেন, তারপর দৃষ্টি শক্তি আর তারপর অন্তর বা হৃদপিন্ড? কিন্তু আমি তো জানতাম, মাতৃগর্ভে প্রথমেই হৃদপিন্ড তৈরী হয়। ইমাম সেটা উল্লেখ করলেন না কেন? আজকে মসজিদে ইমামকে পেয়ে বললাম আপনার গতকালকের খুতবা নিয়ে আমার একটা প্রশ্ন আছে, একটু সময় দিলে এই আলাপ করতাম, তিনি সময় দিলেন। আমি যখন আমার খটকাটা বললাম, প্রশ্ন করলাম: তিনি যেন আমার প্রশ্নটা বুঝতেই পারলেন না। বলেই ফেললেন, এই আয়াতে আল্লাহ তা'য়ালা তো হৃপিন্ডের কথা বলেনই নাই। আমি যতই বলি আমি যে কুরআনের অনুবাদের অর্থে শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি আর তারপর হৃদপিণ্ডের কথা পেলাম। তাও যেন তিনি বুঝছেন না। পরে যখন তিনি নিজে আয়াতটা তেলাওয়াত করলেন, তখন গিয়ে আমার খটকা ধরতে পারলেন: বললেন, এইখানে অন্তরের কথা আলাদা ভাবে পরে এসেছে, মাতৃগর্ভে শ্রবণশক্তি আর দৃষ্টিশক্তি তৈরির থেকে সেটা আলাদা! আর সেটা আরবিতে স্পষ্ট, অনুবাদে স্পষ্ট নয়! বাসায় এসে আরো ঘাঁটলাম, ওই আয়াতে আরবি শব্দ 'আফইদা" -র অনুবাদ "অন্তর" করা হলেও আসলে সেটা ইন্টেলেক্ট বা প্রজ্ঞা বা বোধশক্তি বোঝায় - হৃদপিন্ড নয়। আর আরবিতে হৃদপিন্ডকে সম্ভবত 'ক্বালব' বলা হয়  -- অনুবাদে কতকিছুই না বদলে যায়]

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পর্ব - ৬ । সিরাহ বছর: ৪ । কুৎসা রটনার কুরআনিক জবাব ও অন্ধ সাহাবীর ঘটনা

শুক্রবারের জুমআর খুতবার সারমর্ম (১৮ জুলাই, ২০২৫): রাসূলের (সাঃ)'র 'অপরিচিত' সাহাবীরা (রাঃ)

শুক্রবারের জুমুআর খুতবার সারমর্ম (১১ নভেম্বর, ২০২২): যে ভালো কাজগুলো ধ্বংসের কারণ